নেত্রকোণার মদন উপজেলার একটি কওমি মাদরাসার শিক্ষক ও প্রতিষ্ঠাতা আমানউল্লাহ মাহমুদি সাগরের বিরুদ্ধে ১১ বছর বয়সী এক ছাত্রীকে একাধিকবার ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলাটি বাংলাদেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দেয়। ভুক্তভোগী শিশুটি মাদরাসার আবাসিক ছাত্রী ছিল এবং অভিযুক্ত শিক্ষক তার দায়িত্ব ও ধর্মীয় অবস্থানের সুযোগ নিয়ে শিশুটিকে ভয়ভীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে যৌন নির্যাতনের শিকার করেন বলে মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়।